‘টিটিসি পাবনা’
মাইক্রোভোন সর্ম্পকে
ধারণা (Basic Concepts of Microphone)
মাইক্রোফোন (Microphone)
মাইক্রোফোন এমন
একটি যান্ত্রিক কৌশল, যার সাহায্যে শব্দ শক্তিকে অডিও ফ্রিকুয়েন্সির সমতুল্য
বৈদ্যুতিক শক্তিতে রুপান্তরিত করা হয়। মাইক্রোফোন সাধারনত এক ধরনের ট্রান্সাডিউসার। ইহাকে মাইকও বলা
হয়।
এই
রুপান্তরিত শত্তি কোন সার্কিটের সাহায্যে ছাড়া সম্পাদিত হয় না। এখানে সিগন্যালটি
অতিরিক্ত বিবর্ধনের এর জন্য বায়াসিং সার্কিট ব্যবহার করতে হয়।
২। মাইক্রোফোনের ব্যবহার (Uses of
Microphone)
মাইক্রোফোনের
ব্যবহার নিম্নে উল্লখ করা হলঃ ক)কাবর্ন মাইক্রোফোনঃ কাবর্ন মাইক্রোফোনের
ইম্পিডেন্স
প্রায় ২৫০ ওহম। এ প্রকার মাইক্রোফোন রেডিও কমিউনিশেনের কাজে বহুল পরিমানে
ব্যবহৃত হয়। খ) ক্রিস্টাল মাইক্রোফোনঃ এ প্রকার মাইক্রোফোন উচ্চ মানের
ইনপুট ইম্পিডেন্স বিশিষ্ট AMPLIFIENCE এর সাথে ব্যবহার করা সাধারনতঃ টেলিফোন বিভাগ, রেকর্ডিং
ইন্সট্রুমেন্ট ও ব্রডকাষ্টিং ষ্টেশনে ব্যবহার হয়।
গ) ডাইনামিক
বা মুভিং কয়েল মাইক্রোফোনঃ সাধারণ মাইকিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) রিবন বা
ভেলসিটি মাইক্রোফোনঃ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের বিভিন্ন দিকের শব্দ বর্জন করে কেবল মাত্র
একটি দিকের শব্দকে পিক আপ করতে এ মাইক্রোফোন ব্যবহৃত হয়।
ঙ)
ট্রানজিষ্টর মাইক্রোফোনঃ সৌখিন রেডিও/এমপি-৩/এমপি-৪ অপারেটর, পুলিশ ওয়ারলেস
অপারেটর, আধুনিক নেট ট্যাক্সি ড্রাইভার, মেরিন এবং মোবাইল রেডিওতে ব্যবহৃত হয়।
চ) কন্ডেসার
মাইক্রোফোনঃ প্রায় সব ধরনের ক্যাসেট টেপরেকডা©রে এ মাইক্রোফোন ব্যবহার করা হয়।

























































































































কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন